শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

শেখ হাসিনা উন্নয়নের মাইলফলক....

আতাউল করিম জুন্নুন
.
.
.
.

০১. স্বপ্নের মৌচাক মালিবাগ ফ্লাইওভার শুভ উদ্ভোধন করলেন শেখ হাসিনা
০২. বস্তিবাসীদের জন্য ১০হাজার আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ কাজ শুভ উদ্ভোধন করেন।
০৩. ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুরে মধ্যবিত্ত ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ 
       কাজ শুভ উদ্ভোধন করেন।




গণভবনে ২৬/১০/২০১৭ তারিখ সকাল ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মূল্যবান ৩টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্ভোধন ও ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর মধ্যে অন্যতম স্বপ্নের মৌচাক মালিবাগ ফ্লাইওভার। মৌচাক মালিবাগ ফ্লাইওভারটির দৈর্ঘ ৮.৭০ কি:মি:। এই ফ্লাইওভারটি নির্মানের ফলে মৌচাক-মালিবাগ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্টকর যানজট থেকে মুক্তি পেল সাধারন মানুষ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বস্তিবাসীদের জন্য মিরপুরে ১০হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় তিনি বলেন, "ওরাওতো মানুষ, তাদের কি একটু্ অধিকার নেই ভালোভাবে বাঁচার!! ....নিশ্চয়ই অধিকার আছে এবং সেই অধিকারটা সংরক্ষণ করা আমি মনে করি আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য।"

বাংলাদেশে এরকম যারা গৃহহারা, ভূমিহারা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন, তাদের জন্য একটা কিছু করে দেয়া, তারাও যেন সুন্দরভাবে তাদের জীবনটা বাঁচাতে পারেন সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বস্তিবাসীরা বস্তিতে অমানবিক জীবন যাপন করে। তাদের ঘরভাড়ায় অনেক টাকা ব্যয় করতে হয়। অথচ বস্তিতে তাদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, তাদের দুর্ভোগ লাঘব করা।’ তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিন্নমূল মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমরা যদি সমাজের ছিন্নমূল মানুষের জন্য কিছু করতে পারি, তাহলে আমাদের জীবন সার্থক হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সারা দেশে বস্তিবাসীদের জন্য ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করছে। ভাড়ার টাকায় তারা এসব ফ্ল্যাটে সুন্দরভাবে বসবাস করতে পারবে।

বিগত ১৯৯৬-২০০১ সালে তাঁর সরকারের শাসনামলে আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং গৃহহীন ও বস্তিবাসীদের জন্য ‘ঘরে ফেরা’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা নগরীর ভাষানটেক এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১৬ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেছিলাম।’
তিনি তাঁর সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহনের কারনে দেশ অনেকদূর এগিয়েছে বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসিকে অবহিত করেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এখন আর গ্রামাঞ্চলে কুঁড়েঘর দেখা যায় না। বরং কুঁড়েঘরের জায়গায় এখন টিনের ঘর তৈরি হচ্ছে। আমাদের এটা করার সামর্থ্য হয়েছে।’

আতাউল জুন্নুন- গণভবন, ২৬ অক্টোবর-২০১৭।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন