রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯

বঙ্গবন্ধুর একটি দুর্লভ টেলিগ্রাফ

বঙ্গবন্ধুর একটি অতি দুর্লভ টেলিগ্রাফ
আবদুল আউয়ালকে করাচি থেকে পাঠানো হয়েছিল ১৪ ফ্রেব্রুয়ারী ১৯৫৩ সালে।



আবদুল আউয়ালকে করাচি থেকে পাঠানো বঙ্গবন্ধুর একটি অতি দুর্লভ টেলিগ্রাফ যার অফিস অব অরিজিন করাচি।

প্রতি === আবদুল আউয়াল, দৌলতগঞ্জ, লাকসাম।

বিষয়== এরাইভিং থার্ড বাই ট্রেইন নট পসিবল টু স্টে আপটু ফোর্থ ।

প্রেরক == মজিবুর রহমান।
                                   
আবদুল আউয়ালকে ১৯৫৩সালে করাচি থেকে পাঠানো বঙ্গবন্ধুর একটি অতি দুর্লভ টেলিগ্রাফ

বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

ক্রিকেটারদের ১৩ দফা দাবীর মুখে গণভবনে বিসিসিবি’র কর্তারা 
দ্রুত সমস্যা সমাধানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।

১৩ দফা দাবিগুলো হচ্ছেঃ
১. ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের বর্তমান কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করতে হবে। আগামীতে একটি প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গঠন করতে হবে। ক্রিকেটারদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় এই সংগঠন ও এর কর্মকর্তারা কাজ করবে।

২. ঢাকা ক্রিকেট লিগগুলোকে আগের প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে নিতে হবে। প্লেয়ার ড্রাফটের মাধ্যমে লিগগুলোর ক্রিকেটারদের দল ও মূল্য নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ক্ষেত্রেও আগামী বছর একই ব্যবস্থায় ফিরে আসতে হবে।
৩. বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে বিদেশি ক্রিকেটার ও বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকের মধ্যকার বৈষম্য থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
৪. প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি নূন্যতম ১ লাখ টাকা করতে হবে। একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের বেতন বাড়াতে হবে।
৫. ১২ মাস কোচ-ফিজিও দিতে হবে, প্রতি বিভাগে অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৬. জাতীয় দলে চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারের সংখ্যা অন্তত ৩০ করতে হবে।
৭. দেশি সব স্টাফদের বেতন বাড়াতে হবে। কোচ থেকে শুরু করে গ্রাউন্ড স্টাফ, আম্পায়ার সবার বেতন বাড়াতে হবে।
৮. দেশিয় টুর্নামেন্ট ও ম্যাচের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
৯. ঘরোয়া ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত হতে হবে এবং মানতে হবে।
১০. ক্রিকেটারদের সব ধরনের পাওনাদি সময়মতো দিতে হবে।
১১. একজন দেশি ক্রিকেটার বছরে দুটোর বেশি ফ্রানচাইজে খেলতে পারবে না, এমন নিয়ম বাদ দিতে হবে। তবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে একটি সীমা থাকতে পারে।
১২. ক্রিকেট বোর্ডের লভ্যাংশের একটি ন্যায্য অংশ ক্রিকেটারদের দিতে হবে।
১৩. দেশের নারী ক্রিকেট দলের জন্যও একই ব্যবস্থা নিতে হবে।





সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯

হাইস্পিড ট্রেনের সুবিধা লাকসামের মানুষেরও অধিকার। 
আতাউল করিম জুন্নুন




পূর্বাঞ্চলীয় রেলওয়ের প্রবেশদ্বার বলা হয় লাকসাম রেলওয়ে জংশনকে। দেশের ঐতিহ্যবাহী এই রেলওয়ে জংশন তাঁর জৌলুস হারিয়েছে। ‘কত লাকসাম কত বাত্তি’ খ্যাত এই জংশন এখন যাত্রীদের কাছে ‘বিষফোঁড়া’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাকসাম রেলওয়ে জংশনকে বাঁচাতে হবে, ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য প্রয়োজন যার যার অবস্থান হতে সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা।

 টিকেট স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে ঐতিহ্যবাহী এই রেলওয়ে জংশনের যাত্রীদের জন্য সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে যাতে করে আরো উন্নত করা যায় এ ব্যাপারে মাননীয় রেলপথ মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে লিখিত আকারে কিছু আবেদন নিবেদন করলাম।
বিশেষ করে হাইস্পিড ট্রেনের একটি স্টপেজ বা স্টেশন লাকসাম জংশনে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য আমি ব্যাক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছি।
কেননা লাকসামে #হাইস্পিড ট্রেনের একটি স্টপেজ বা স্টেশন হলে নোয়াখালী, চাঁদপুর এমনকি বরিশালসহ অত্র অঞ্চলের যাত্রীরা সর্বাধুনিক ও উন্নত যোগাযোগ ব্যাবস্থার সুবিধা পাবে এবং যাতায়াত দ্রুত ও সহজ হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে সেকশন বাংলাদেশ রেলওয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করিডোর। বর্তমানে ঢাকা থেকে ট্রেন বৃত্তাকার পথে টঙ্গী- ভৈরববাজার-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম ভ্রমণে অনেক বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। প্রস্তাবিত দ্রুতগতির রেলপথটি যাবে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মধ্য দিয়ে।

হাইস্পিড ট্রেন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক স্টাডি রিপোর্ট আমার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে উনারা দেখিয়েছেন যে, এই ট্রেন চালু হলে বিরতি দিয়ে ৬৯ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আসা যাবে। আর বিরতি না দিলে ৫৭ মিনিটে পৌঁছানো যাবে। তবে এটার জন্য আলাদা লাইন তৈরি করতে হবে। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী হয়ে সরাসরি এই ট্রেন চট্টগ্রামে আসবে।’ সেক্ষেত্রে লাকসাম-কে বাদের তালিকায় রাখা হয়েছে।
যদি তাই হয় তাহলে সেটি হবে লাকসাম-নোয়াখালী, চাঁদপুর-বরিশালসহ গোটা অঞ্চলের মানুষের জন্য দুঃখজনক। কারণ একবার সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে পরে আর সংশোধনের উপায় থাকবেনা।
হাইস্পিড ট্রেনের সুবিধা লাকসামের মানুষেরও অধিকার। এই সু-সময়ে বঞ্চিত হলে দুঃখ করেও পার পাবোনা। কেননা বর্তমানে সরকারের দুই দুইজন শীর্ষ মন্ত্রী যথাক্রমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জনাব তাজুল ইসলাম এবং অর্থমন্ত্রী জনাব আ.হ.ম. মোস্তফা কামাল সাহেব রয়েছেন সরকারের নীতি নির্ধারক হিসেবে। তাই এখনই সু-সময় নিজ নিজ এলাকার বৃহত্তর উন্নয়নের স্বার্থে দৃশ্যমান  অবদান রাখার। 

রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৯

আতাউল করিম জুন্নুন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রোগ্রামার
একজন শাহ্ আলম এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 
-আতাউল করিম জুন্নুন-
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রোগ্রামার


নোয়াখালীর সুবর্ণ চরের একজন সাধারণ আওয়ামীলীগ কর্মীর নাম শাহ্ আলম। ষাটোর্ধ্ব শাহ্ আলম কখনো সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখেননি, গণভবনেও প্রবেশের সুযোগ পাননি। তাঁর একটি ইচ্ছা ছিলো বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে কাছ থেকে একবার দেখার।
নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এইচ এম খায়রুল আলম সেলিম সাহেব তার সে ইচ্ছা পূরণ করেন। অনেক মানুষের ভীড়ে আওয়ামীলীগ নেত্রীর কাছে তার আগমনের কারন ব্যাক্ত করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে শাহ্ আলমের কথা শোনেন। এ সময় শাহ্ আলম তার স্ব-রচিত একটি কবিতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শোনাতে চাইলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিরবে দাঁড়িয়ে মনোযোগ সহকারে তার কবিতা আবৃতি শোনেন এবং ক্যামেরায় ছবি তুলতে নির্দেশ দেন। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গণভবনে শাহ্ আলমের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সদ্য তোলা দুটি ছবি বড় সাইজে প্রিন্ট করে তার হাতে তুলে দেয়ার ব্যাবস্থা করেন। ছবি দুটি হাতে পেয়ে শাহ আলম নিজের চোখকেও যেনো বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। আবেগে চোখের পানি চেপে রাখছিলেন বারবার। 



মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাজারো ব্যস্ততা। মন্ত্রী-এমপি, সেনাপ্রধান-বিজিবি প্রধান, কেবিনেট সচিব-মুখ্য সচিবগণের সাথে দাপ্তরিক কাজকর্ম প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করা। দলের ভিতর একের পর এক শুদ্ধি অভিযান চালানো থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ীদের সাথে মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শোনা। এমনকি নিজ নির্বাচনী এলাকার মেম্বার কর্তৃক নিগৃহিত গ্রামের নারী-পুরুষের নালিশ শোনা, চোখের পাখি মুছে দিয়ে জড়িয়ে ধরে শান্তনা দেয়া এবং তাদের সাথে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা। সকাল থেকে দুপুর পর্য়ন্ত একটার পর একটা প্রোগ্রাম করা এ সবকিছু একজন মানুষের পক্ষে কষ্টকর হলেও তিনি একাই সামলাচ্ছেন ।
মাঝখানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অলপার্টি প্রতিনিধিদলের প্রায় ত্রিশজন সংসদ সদস্যের সাথে দীর্ঘ আলাপচারিতাও করেছেন। সারাদিন কর্মব্যস্ততার মাঝেও শাহ আলমের মতো একজন সাধারণ কর্মীর সুখ-দুখের কথা মনোযোগ সহকারে শোনার মতো মানুষটিই হলো আমাদের জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
যার দিন শুরু হয় ফজরের নামাজ আর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। আল্লাহপাক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দীর্ঘায়ু দান করুন, দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে খেদমত করার আরো বেশী বেশী তৌফিক দান করুন। আমিন।।

[তথ্যসূত্রঃ আতাউল করিম জুননুন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রোগ্রামার]
(ছবিঃ সুমন দাস, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিনিয়র ফটোগ্রাফার)