শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২০

সূরা ফাতিহা অনুবাদ সহ

সূরা ফাতিহা ঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

অনুবাদঃ
(১) সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি নিখিল জাহানের রব।
(২) যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।
(৩) যিনি বিচার দিনের মালিক।
(৪) আমরা কেবল তোমারই গোলামী করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য চাই।
(৫) আমাদেরকে সরল সঠিক পথ প্রদর্শন কর।
(৬) ঐ সমস্ত লোকদের পথ যাদেরকে তুমি নিয়ামত দান করেছ।
(৭) যারা অভিশপ্ত নয় এবং পথভ্রষ্ট নয় তাদের পথ আমাদেরকে প্রদর্শন কর।


হাদিছে বর্ণিত আছে ঃ সর্বাপেক্ষা উত্তম যিক্‌র ‘‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ্” এবং সর্বাপেক্ষা উত্তম দোয়া সূরা-ফাতিহা।

হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে- রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যাঁর হাতে আমার জীবন তাঁর কসম, সূরা-ফাতিহার দৃষ্টান্ত তাওরাত, ইঞ্জিল, যবূর প্রভৃতি অন্য কোন আসমানী গ্রন্থে তা নেই। এমনকি পবিত্র কোরআনেও এর সমতুল্য অন্য কোন সূরা অবতীর্ণ হয়নি। -(মারিফুল কোরআন)
# সূরা শেষে আ-মীন বলা সুন্নত কিন্তু আ-মীন সূরার অংশ নয়।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২০

লাকসামে করোনা রোগী দেখার জন্য মানুষের ভীড় ! সত্যিই সেল্যুকাস

লকডাউন উপেক্ষা করেই অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ যোগ দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের সিনিয়র নায়েবে আমীর আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী আলোচক মাওলানা জুবায়ের আহমদ আনছারির নামাজে জানাজায়। 
আজ শনিবার সকাল ১০টায় তার প্রতিষ্ঠিত সরাইলের জামিয়া রহমানিয়া বেড়তলা মাদ্রাসায় এই নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার প্রান্তর ছাড়িয়ে জানাজার সারি দীর্ঘ হয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। দেশ এবং জেলার শীর্ষ আলেমরা ছাড়াও মাদ্রাসা ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ যোগ দেন জানাজায়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন জুবায়ের আহমেদ আনছারির ছেলে হাফেজ মাওলানা আসাদ উল্লাহ। 

 লক-ডাউন উপেক্ষা করে ব্রাক্ষনবাড়ীয়ায় হুজুরের নামাজে জানাযায় লাখো মানুষের ঢল যেখানে মহানবীর (সাঃ) এর আদেশ নিষেধের কোন তোয়াক্কা নেই সেখানে সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানবে কে


একজন মুসলমান করোনায় শহীদ হয়েছেন তবুও তাঁর নামাজে জানাযায় কোন হুজুরকে পাওয়া গেলনা।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আর পুলিশ প্রশাসন জানাযা পড়াচ্ছন।
আবার কোথাও কোথাও লাশ দাফনে এলাকার মানুষ বাধার সৃষ্টি করেছে। 
এই হচ্ছে আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ধর্মীয় মূল্যবোধ এই হলো আমাদের ৯০% মুসলমান!!!?


রংপুর নগরের পার্বতীপুরে এক ব্যবসায়ীর বাড়ির খাটের ভেতর লুকিয়ে রাখা টিসিবির ১ হাজার ২৩৮ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেখে মনে হচ্ছে, এ যেন বক্স খাট নয়, তেলের খনি। এ সময় হানিফ মিয়া ও লাল মিয়া নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে।
 আমরা ত্রাণের চাল চুরি করি তেলের খনি আবিষ্কার করি একবারের জন্যও আইন কানুন কিংবা সৃষ্টিকর্তাকে ভয় করছি না। 
কথায় আছে চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী।আমরা কথায় কথায় বলি আমরা বীরের জাতী। অথচ এই মহামারীতে জীবনের ঝুকি নিয়ে যেসব ডাক্তার নার্স মেডিকেল পারসনরা করোনা রোগীদের জীবন বাঁচাতে রাত দিন পরিশ্রম করছে বাড়ীওয়ালা নামক জমিদারেরা তাঁদেরকে বাড়ী ছাড়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।
আমাদের সকলের কি হলো মানবতা দেশপ্রেম ধর্মীয় মূল্যবোধ সব কোথায় হারিয়ে গেল।



বাহ্মণবাড়িয়ার হুজুরের জানাযার মানুষের ঢল করোনা মহামারিতে এটা ভালবাসার আবেগ নাকি বাড়াবাড়ি... আপনার মতামত কি?

বাহ্মণবাড়িয়ার হুজুরের জানাযার মানুষের ঢল করোনা মহামারিতে এটা কি আবেগ নাকি ভালবাসা নাকি বাড়াবাড়ি..
এ প্রসঙ্গে ধর্ম রাষ্ট্র বিবেক কি বলে?
করোনা পরিস্থিতি কি আরো ভয়াবহ হতে চলেছে??
এ প্রসঙ্গে আপনার মতামত কি?




এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়।



আজকের ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায়  কিছু স্ট্যাটাস ও কমেন্ট ছিলো উল্লেখ করার মত যেমন ঃ 



Md Dalilur Rahman Manik
আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থে পরিষ্কার উল্লেখ আছে মহামারিতে কোন মুসলমান মারা গেলে সে শহিদের মর্যাদা পাবে। সেই শহীদের জানায় দিতে হচ্ছে UNO অথবা পুলিশকে। অথচ আপনাদেরকে তখন খুঁজেও পাওয়া যায় না এসব শহীদের জানায়ায় দেওয়ার জন্য। 

আজকে আপনারা সরকারের সকল বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে লক্ষাধিক মানুষ জড়ো হয়ে একজনের ...... জানায়া দিয়ে পুরো একটা দেশকে আরো আধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ করে দিলেন !!! 
পবিত্র ইসলাম ধর্মেও এই মহামারির বিষয় পরিষ্কার নির্দেশনা আছে, সেটাও মানলেন না। আপনাদের এই দৈতনীতি আপনাদের প্রতি আমাদের আস্থার সংকট তৈরি করবে না ???

MD Whab  কমেন্ট করেছেন এভাবে— যেখানে মক্কা শরিফমদিনা শরীফ লোক,সমাগম নিষিদ্ধআর কোন জায়গার মাওলানা মারা গেল আর লক্ষ লক্ষ লোক ওইখানে উপস্থিতপাগলের দল , মক্কা শরিফমদিনা শরীফ থেকে বেশি ফজিলত নিলক্ষলক্ষ টাকা লোসকান দিচ্ছি। তারপরও তো???????

 
Shahin Alom
লিখেছেন –হুজুরের জানাযায় যারা গিয়েছেন তাদের জানাযায় হুজুরেরা যাবে তো?
নাকি পুলিশকে জানাযা পড়াতে হবে???

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা দুঃখজনক।
মহামারীতে নিজ নিজ জায়গায় থাকার কথা আমাদের ইসলাম ধর্মে আছে।
আর
জানাজার নামাজ হলো ফরজে কিফায়া।
সীমিত লোক তা আদায় করলে সবার পক্ষ থেকে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা হয়ে যায়।
ইসলাম শান্তি মানবতার ধর্ম।
ইসলামে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার কথাও বলা হয়েছে।

আমরা তো ধর্মের নামে আমাদেরই ক্ষতি করছি।



আজকে সকালের বাহ্মণবাড়িয়ার একটা
জানাযার ছবি !!
জ্বি আজ সকালের! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন বললেন, লাখ খানেকের কম হবে না! 🙄🙄
বর্তামানে ভয়াবহ পরিস্থিতির সময়ে কি এতো মানুষ একত্রিত হওয়া ঠিক হলো..??
আসেন নিজে সচেতন না হয়ে-আমরা কেবল সরকারকেই গালি দিয়ে যাই...!🙁

অনেকেই বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট করেছেন, যেমন ঃ-
Sohrab Bhuiyan আফসোস ! আবেগের বাড়াবাড়িতে একটা জাতি বিলুপ্ত হতে চলেছে😥

Abdul Momin সব সরকার করবে আর আমরা বসে বসে সরকারকে গালি দিব আর এরকম বিবেক হারা কাজগুলো করব

  • Asaduzzaman Milon এখন যদি আমি ওদের বিরুদ্ধ বলতে যাই তাহলেই বলবে আমরা সরকার দলের ধর্মবিরোধী লোক।ওরা ধর্মের চাইতে ওদের হুজুর কে বেশি মহব্বত করে এতে কোন সন্দেহ নাই।।
    1
  • Russell Khanna কে শুনে কার কথা এযেন সরকারের মাথা ব্যথা! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাণ্ডটা দেখছেন না? এরপর আর কিছু বলার আছে? লকডাউন-টাউন দিয়া কোনো লাভ নাই। গরীব কৃষক, দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী, গার্মেন্টস মালিকদের মেরে কোনো ফায়দা আছে? সরকারি কর্মচারী যারা ছুটি ভোগ করছে তাদের বসিয়ে খাওয়ানোর কোনো মানে দেখি না।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলব, অনেকতো চেষ্টা করেছেন! তারা আপনার রাতদিনের পরিশ্রমের কোনো মূল্য দিয়েছে? বরং প্রতি পদে পদে দেখিয়ে দিচ্ছে প্রজাতন্ত্র কাকে বলে। কেউ সিটিজেন হতে পারেনি, এরা সব পপুলেশন। সব উইথড্র করে নেন।
    সার্ভাইভাল ফর দ্য ফিটেস্ট মনে হচ্ছে, যে মরে যে বাঁচে||"

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আজকের চিত্র লকডাউন উপেক্ষা করে জুবায়ের আহমেদ আনসারির জানাজায় লাখো মানুষের সমাগম দোয়া করা হয়েছে করোনা থেকে মুক্তির জন্য..!!
বাংলাদেশের কিছু আলেম আর তাদের অন্ধ ভক্তের জন্যে ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে সরকার এবং রাষ্ট্রকে।
কথিত কিছু আলেমদের উদাসীন বক্তব্যের কারণে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হয়ে চরমভাবে বিপদগ্রস্ত অসহায় ভাবে জীবন দিয়ে এর মূল্য দিতে হবে..!!
দেশে প্রচুর ইসলামী বক্তা আর কোটি কোটি ভক্তকুল রয়েছেন। সারাজীবন তাদের অর্জন হল বয়ান করে টাকা কামানো..!!
তাদের জন্য এখন সুযোগ সমাজে অন্তত কিছু ভাল কাজ করার।
করোনা রুগিদের পাশে দাড়াবার..!!
তাদেরকে নিয়জিত করতে হবে করোনা রুগিদের জন্য এতদিন জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখতে পারেন নি। এখন তাদের জন্য সুযোগ..!! [Md Sayedul Hoque Liton এর ফেইসবুক পোস্ট থেকে]
 2

MD Whab
  কমেন্ট করেছেন এভাবে— যেখানে মক্কা শরিফ, মদিনা শরীফ লোক,সমাগম নিষিদ্ধ, আর কোন জায়গার মাওলানা মারা গেল আর লক্ষ লক্ষ লোক ওইখানে উপস্থিত, পাগলের দল , মক্কা শরিফ, মদিনা শরীফ থেকে বেশি ফজিলত নি, লক্ষ, লক্ষ টাকা লোসকান দিচ্ছি। তারপরও তো???????
সুফিয়া মডেল একাডেমী নতুন করে আর করোনা আমদানি করতে হবে না বাংলাদেশ করোনা রপ্তানি করবে।

Nure Alam বিশ্ব যখন করোনা মুক্ত হবে বাংলাদেশে করোনার চাষ কেরবে ধর্মান্ধ মোল্লারা!🆙
তারপর বিশ্বের কোন দেশ শ্রমিক নিবে না,বানিজ্য করবে না,তখন তোমাদের ধর্মের গৌড়ামি বাহির হবে চান্দু🤣


আবার কেউ কেউ স্ট্যাটাস দিয়েছে এভাবে
দেশের এই পরিস্থিতিতে মানুষ মৃত্যুকে ভয় না করে এই ব্যাক্তির শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল যদি লক ডাউন না থাকতো তাহলে কি অবস্থা হতো এতে করে বুঝা যায় নিসন্দেহে একজন ভালো মানুষ ছিলো কথা বলাই যায়।


শুধু বোবার মতো তাকিয়ে আছি। 😥
সরকারের নির্দেশনা এখানে অর্থহীন হয়ে গেলো।
নিজেরা সচেতন না হয়ে সরকারের সমালোচনা করে কি হবে?

যে যাই বলুন দেশের জনসংখ্যা এমনিতেই বেশী হয়ে গেছে... কিছু যদি কমে!!

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে,  লকডাউন উপেক্ষা করেই অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ যোগ দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের সিনিয়র নায়েবে আমীর আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী আলোচক মাওলানা জুবায়ের আহমদ আনছারির নামাজে জানাজায়। 
আজ শনিবার সকাল ১০টায় তার প্রতিষ্ঠিত সরাইলের জামিয়া রহমানিয়া বেড়তলা মাদ্রাসায় এই নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার প্রান্তর ছাড়িয়ে জানাজার সারি দীর্ঘ হয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। দেশ এবং জেলার শীর্ষ আলেমরা ছাড়াও মাদ্রাসা ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ যোগ দেন জানাজায়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন জুবায়ের আহমেদ আনছারির ছেলে হাফেজ মাওলানা আসাদ উল্লাহ।