শনিবার, ২০ জুন, ২০২০

প্রিয় ম্যাশ তুমি যোদ্ধা অকুতোভয় সাহসী

প্রিয় ম্যাশ তুমি যোদ্ধা অকুতোভয় সাহসী
অদম্য মনোবলের অধিকারী
ইনশাআল্লাহ দ্রুতই আমাদের মাঝে ফিরে আসবে তুমি।

প্রিয়জন হারানোর তালিকাটা এমনিতেই দীর্ঘ হয়ে আছে
আর সইতে পারছিনা ভীষন কষ্ট হয়।

Dear Mash,
you are a warrior, fearless, brave, indomitable.
InshaAllah, you will come back to us soon.
The list of losing loved ones is already long and I can't bear it.

বুধবার, ১০ জুন, ২০২০

মমতাজ বেগমের মৃত্যুতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ ও আলোচনা

Syed Rezaur Rahman and Associates
1 hr
জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মমতাজ বেগম অ্যাডভোকেট এর মৃত্যুতে আজ (১০-০৬-২০২০খ্রিঃ) মহান জাতীয় সংসদে শোক প্রকাশ করে বক্তব্য প্রদান করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্যা কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক তথ্য মন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনু, সাবেক কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, আ স ম ফিরোজ ও ‍বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ।
পরে সংসদে তোলা শোক প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এ সময় মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নীরাবতা পালন ও মোনাজাত করা হয়।
শেষে রেওয়াজ অনুযায়ী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত সংসদের বৈঠক মুলতবি ঘোষণা করেন।
বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত মমতাজ বেগমের মৃত্যুতে জাতী হারাল এক মহিয়সী নারীকে।


বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত মমতাজ বেগম ১৯৭০ গণ-পরিষদ সদস্য, এম.এন.এ এবং ১৯৭৩ সালে মহান জাতীয় সংসদের একজন সংসদ সদস্য ছিলেন।
মমতাজ বেগম ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
ছাত্রজীবনে কুমিল্লা সরকারী ওমেন্স কলেজের ভিপি ছিলেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সময়ের মহান জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মমতাজ বেগম ১৬ মে শনিবার দিবাগত রাত ১২.২০ মিনিটের সময় ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।
তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজাউর রহমান- এর সহধর্মিনী।
#জন্মঃ ১৯৪৬ সালের ১৩ এপ্রিল ব্রাক্ষনবাড়ীয়ার শিমরাইলে জন্মগ্রহন করেন মমতাজ বেগম। তাঁর পিতা আবদুল গনি ভূঁজ্ঞা আর মাতা ছিলেন জাহানারা খানম।
১৯৭১ এর রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ বেগম ছিলেন একজন গেরিলা যোদ্ধা নারী জাগরনের পথীকৃত।
তাঁর মৃত্যুতে মহান জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব ও আলোচনা করা হয়।

শনিবার, ৬ জুন, ২০২০

প্রবীন রাজনীতিবিদ সিরাজুল ইসলাম আর নেই

প্রবীন রাজনীতিবিদ সিরাজুল ইসলাম আজ সকাল ১০ঃ১০মিনিটে দৌলতগঞ্জ উত্তর বাজারে তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী জনাব তাজুল ইসলাম সাহেব বর্ষীয়ান এই নেতার মৃতুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

মরহুম সিরাজুল ইসলাম দৌলতগঞ্জ বাজারের একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সহযোগী যোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহযোগীতা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর একজন নির্ভিক সৈনিক হিসেবে সারাজীবন তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত তিনি ছিলেন লাকসাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি।

তাঁর ফ্লাওয়ার মিল অর্থাৎ ময়দার মিলের আটা ও ময়দা নিয়ে ট্রলার বোঝাই করে বৃহত্তর লাকসাম উপজেলায় বন্যাদূর্গত আশ্রয় শিবির গুলোতে ত্রান সহায়তা পৌছে দিতেন আওয়ামী লীগের ব্যানারে। বিশেষ করে ৮৮ ও ৯৮ সালের বন্যায় দূর্গত এলাকায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি নিঃশ্বার্থভাবে। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সিরাজুল ইসলাম সাহেব নিজ আর্থ ব্যায় করেছেন নিরবে। শুধুমাত্র দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে নিজের জীবনের মূল্যবান সময় এবং অর্থ দুই উজাড় করে দিয়েছিলেন। 

শিক্ষানুরাগী সিরাজুল ইসলাম ছিলেন ঐতিহ্যবাহী লাকসাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক নির্বাচিত সভাপতি। তাঁর মৃত্যুতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক ছাত্র-শিক্ষকমন্ডলী গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

নির্লোভ নিরহংকারী সাদামনের এই মানুষটি দৌলতগঞ্জ উত্তর বাজারের নিজ বাড়ীতে মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত সাদা-মাটা জীবন যাপন করে গেছেন। দৌলতগঞ্জের মানুষ তাঁকে ভীষন শ্রদ্ধা করতেন। তাঁর চলে যাওয়ায় এলাকার মানুষ গুরুজন শুন্য হয়ে পড়েছেন কারন তিনি ছিলেন সকলের মুরুব্বী। তাঁর এ শুন্যতা পুরন হবার নয়। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০

সময়



সময়

বৃষ্টির দিনে কিযে ইচ্ছে করে
ভুনা খিচুড়ী গ্রীনটি আর ভালোলাগার গান শোনা
ছোট বেলায়তো দাবা লুডু খেলা ছিলো

ছিলো কিশোর তরুন যুবায় ভীষন আড্ডা
এখন সূদুরে সময় নিজেও ব্যতিব্যাস্ত
তবে সময় এখন কাটে দারুন
নিজের সংসার আর জাহারা মামনিই এখন সব
আড্ডা কিংবা ছুটে চলা দূর বহুদূর সিংগাপুর
গ্রামে মেঠোপথে শহর ছেড়ে একটু দুরে

ছায়াঘেরা সবুজ বন হলেতো কথাই নেই
ইচ্ছে করে
ইচ্ছে করে শ্যামল রোদ্দুরে হারিয়ে যাওয়া
পদ্মা মেঘনার মোহনায়
যেখানে শিমুল ফুটে আছে

ইচ্ছে করে যাই চলে যাই
বৃষ্টিভেজা নির্জন পথে
অথবা কৃষ্ণচুড়ার লালে হয়ে যাই লাল
পাপড়ী বিছানো রাধাচুড়ায় বসে অলস সময়গুলো

এখন চাইলেই আরকি হবে সময়!
সময় এখন নতুন ঘড়িতে নতুন সময়ে।।



[ জুন্নুন -০৪ জুন ২০২০, সন্ধ্যাঃ০৭:১২মিঃ ]

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০

ইচ্ছে করে যাই চলে যাই অচিনপুর


ইচ্ছে করে
যাই চলে যাই অচিনপুর
যেখানে দুঃখ নেই কষ্ট নেই
ঝলমল করে আলো
রোদ্দুর...


ইচ্ছে করে
হাটি এলোমেলো মেঠো পথ ধরে
গানের সুরে ছন্দে মাতি
ইচ্ছে করে

শহর থেকে একটু দুরে
ছায়া ঘেরা মোঠো পথ
পেড়োলেই
ছায়াঘেরা নদী
শ্যামল সবুজ বন
ইচ্ছে করে দেখি ভরে এই
দু' নয়ন

ইচ্ছে করে
যাই চলে যাই অচিনপুর
যেখানে দুঃখ নেই কষ্ট নেই
ঝলমল করে আলো
রোদ্দুর...


ক্লান্ত লাগে নগর জীবন
কৃত্রিম প্রেমে বিষন্ন এ মন
ইচ্ছে করে সাগর পারে
সন্ধ্যা বেলা
দেখি সূর্যডোবা
দেখি বালুকাবেলা
জোৎস্না রাতে তারার মেলায়
নিমগ্ন একা...
হেটে হেটে যাই
চলে যাই অনেক দুর
যেখানে দুঃখ নেই কষ্ট নেই
ঝলমল করে আলো
রোদ্দুর...

ইচ্ছে করে
হাটি এলোমেলো মেঠো পথ ধরে
গানের সুরে ছন্দে মাতি
ইচ্ছে করে
...................................উইনিং

মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০

ছয় রোজার ফজিলত অসিম



ছয় রোজার ফজিলত অসিমঃ
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও শাওয়ালের রোজা রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরামদের রাখার নির্দেশ দিতেন।
হজরত আবু আইয়ুব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল, অতঃপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
----(মুসলিম : ২/৮২২)
শাওয়ালের ছয়টি রোজা নারী-পুরুষ সবার জন্যই সুন্নত। মাসের শুরু-শেষ কিংবা মাঝামাঝি—সব সময়ই রাখা যায় এ রোজাগুলো। একনাগাড়ে অথবা মাঝে ফাঁক রেখে পৃথকভাবেও রাখা যায়। শাওয়াল মাসে শুরু করে শাওয়াল মাসে শেষ করলেই হলো। তবে ঈদুল ফিতরের পর শাওয়ালের প্রথম দিকে একসঙ্গে ছয়টি রোজা রাখাই উত্তম। আর রমজানের কাজা রোজা থাকলে প্রথমে কাজা রোজা রাখবেন।
আসুন আমরা সবাই এই ফজিলতপূর্ণ ৬টি রোজা রাখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

বর্তমানে বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আলেম তাঁর পেইজবুক পেইজে এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন, এখানে আপনাদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরলামঃ
Abdul Hi Muhammad Saifullah
মুমিনরা ইবাদতের ক্ষেত্রে অনেক স্মার্ট হয়।কারন যখনই মুমিনের সামনে কোন আমলের সুযোগ আসে- স্মার্ট উপায়ে সে, সেটা করার চেষ্টা করে। এইতো পবিত্র শাওয়াল মাসের ১ তারিখে ঈদুল ফিতর পালন করার পর পরই আমাদের সামনে তিনটি ইবাদতের সুযোগ এসেছে। একই সাথে শাওয়ালের ৬টি সিয়াম, আইয়্যামে বীদ এর সিয়াম, সোম ও বৃহস্পতিবারের সিয়াম !!!
৬জুন (১৩ শাওয়াল) থেকে ১১জুন (১৮ শাওয়াল) =৬ দিন, শাওয়ালের ৬ রোজা,
৬জুন (১৩ শাওয়াল) থেকে ৮জুন (১৫ শাওয়াল) =৩ দিন, আইয়্যামে বীদের রোজা (আরবী মাসের মধ্য বেজোড় রোজা),
৮জুন (১৫ শাওয়াল) ও ১১জুন (১৮ শাওয়াল) = ২দিন,সোম ও বৃহস্পতিবারের(সাপ্তাহিক) রোজা,
একের ভিতর তিন !!! মিস যেন না হয় ইন শা আল্লাহ।
*উল্লেখ্য, নফল দিয়ে কাযা বা কাযা দিয়ে নফল আদায় হবেনা।
৬জুন (১৩ শাওয়াল) থেকে ১১জুন (১৮ শাওয়াল) =৬দিন। শাওয়ালের ৬ সিয়াম
ইবাদতের জগতে সলাতের পড়েই সিয়ামের গুরুত্ব। সকল ইবাদতের জন্য সওয়াব নির্দিষ্ট। একমাত্র সিয়ামের সওয়াব আল্লাহ সুবাহানুতায়ালা নিজে দিবেন। রমাদানের সিয়াম শেষ হবার সাথে সাথেই আমাদের সামনে শাওয়াল মাসের ৬টি সিয়ামের মাধ্যমে সারা বছর সিয়াম পালনের সুযোগ এসেছে। এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আবু আইয়ুব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি রমাদানের সিয়াম রাখল এরপর শাওয়াল মাসে ছয়টি সিয়াম রাখল সে যেন গোটা বছর সিয়াম রাখল।" [সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, জামে তিরমিজি, সুনানে নাসায়ী ও সুনানে ইবনে মাজাহ]
শাওয়ালের ৬ সিয়াম ধারাবাহিকভাবে অথবা বিরতি দিয়েও রাখা যাবে। কারো যদি রমাদানের সিয়াম কাজা হয়ে থাকে, তবে প্রথমে তা আদায় করে নেবে- এটা উত্তম। সম্ভব না হলে শাওয়ালের রোজা রাখবে, পরে কাজা আদায় করবে। যারা পবিত্র রমাদানের যথাযথ কদর করেননি তাদের উচিত এখনই আল্লাহতায়ালার কাছে তওবা-ইস্তেগফার করে আল্লাহ তায়ালার রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় নেওয়া।
#আইয়্যামে_বীদ (আরবি মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ)
৬জুন (১৩ শাওয়াল) থেকে ৮জুন (১৫ শাওয়াল) = আইয়্যামে বীদের সিয়াম
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আ’নহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাড়ীতে অবস্থানকালীন অবস্থায় এবং সফরকালীন অবস্থায়, কখনোই আইয়্যামে বীদের সিয়াম ছাড়তেন না।” [সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ২৩৪৫]
ক্বাতাদাহ ইবনে মিলহান রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে প্রত্যেক মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সিয়াম রাখার জন্য আদেশ করতেন।” [আবু দাউদঃ ২৪৪৯, নাসায়ীঃ ২৪৩২]
৮জুন (১৫ শাওয়াল) ও ১১জুন (১৮ শাওয়াল) = সোম ও বৃহস্পতিবারের সিয়াম
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বদা সোমবার এবং বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করতেন।
[সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ২৩৬৩]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহ তা’আলার দরবারে আমল পেশ করা হয়। সুতরাং, আমার আমলসমূহ যেন সিয়াম পালনরত অবস্থায় পেশ করা হোক এটাই আমার পছন্দনীয়।
[জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৭৪৭]
পোস্টটি সবার সাথে শেয়ার করে অন্যকে জানিয়ে দিতে পারেন। চাইলে কপিও করতে পারেন। আল্লাহ উত্তম প্রতিদানদাতা।